আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): পেজেশকিয়ান এক্স-পোস্টে লিখেছেন, 'যে কোনো নিপীড়নমূলক আগ্রাসনের প্রতি ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতিক্রিয়া হবে কঠোর এবং অনুশোচনাপ্রসূত।'
সোমবার ফ্লোরিডায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিল, 'আমি আশা করি তারা (ইরান) আবার পারমাণবিক শক্তিতে অগ্রসর হবে না, হওয়ার চেষ্টাও করবে না, কারণ যদি তারা তা করে তাহলে খুব দ্রুত তা নির্মূল করা ছাড়া আমাদের আর কোনো বিকল্প থাকবে না।'
এই প্রথম ট্রাম্প ইরানের প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের স্পষ্ট হুমকি দিল, যা দেশটির প্রতিরক্ষামূলক মতবাদের ভিত্তি। গত জুন মাসে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসনে যোগ দেয় যুক্তরাষ্ট্র- তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়।
ইরান দুই মাসের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারে- এমন অযাচাইকৃত দাবির পুনরাবৃত্তি করে আগ্রাসনকে ন্যায্যতা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল ট্রাম্প।
আইএইএ এবং ইরানি কর্মকর্তাদের বারবার নিশ্চিতকরণের মুখেও এই দাবিগুলো চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তেহরান বলে আসছে, দেশের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ- যা জ্বালানি ও চিকিৎসা উন্নয়নের জন্য তৈরি।
Your Comment